সাঁওতালরা কোথায় বসবাস করে না?
-
ক
চট্রগ্রাম
-
খ
রাজশাহী
-
গ
বগুড়া
-
ঘ
বরিশাল
সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়। সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর। সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত। উপজাতি, ক্ষুদ্রজাতি সত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে সংবিধানের – ২৩(ক) অনুচ্ছেদে।
কয়েকটি উপজাতির অবস্থান:
- চাকমারা : পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।
- সাওতাল : বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর
- ত্রিপুরা/টিপরা : পাবর্ত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঢাকা।
- রাখাইন : পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, বরগুনা, পটুয়াখালী, কক্সবাজার।
- খাসী/খাসিয়া : বৃহত্তর সিলেট
- গারো : বৃহত্তর সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ, টাঙ্গাইল।
- পাঙন : মৌলভীবাজার
- মণিপুরী : বৃহত্তর সিলেট
- খিয়াং : বান্দরবন
- তঞ্চঙ্গ্যা : পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
- ম্রো : বান্দরবান
- ওরাও : বৃহত্তর রাজশাহী
- পলিয়া : রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী
- মাহাতো : বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ
- রবিদাস : সিলেট, হবিগঞ্জ, নওগাঁ।
- হাজং : বৃহত্তম ময়মনসিংহ বিভাগ ও সুনামগঞ্জ।
- রাজবংশী : রংপুর, শেরপুর
সাঁওতালরা দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলে বাস করে।
দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ,নবাবগঞ্জ,বিরামপুর,ঘোড়াঘাট, ফুলবাড়ি, চিরিরবন্দর, কাহারোল এবং রংপুর জেলার পীরগঞ্জে সাঁওতালরা অধিক সংখ্যায় বাস করে।
রাজশাহী এবং বগুড়া অঞ্চলে কিছু সংখ্যক সাঁওতাল আছে। প্রাচীনকাল থেকেই সাঁওতালরা এদেশে বসবাস করে আসছে।
উপজাতি নিয়ে কিছু তথ্য জেনে নিই
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি- চাকমা।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি- মারমা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট উপজাতি বসবাস করে- ১১ টি।
- বাংলাদেশে উপজাতির ভাষার সংখ্যা- ৩২ টি।
- প্রকৃতি পুজারি উপজাতি- মুন্ডা ও মনিপুরী।
- উপজাতীয় বর্ষবরণ উৎসবকে সামগ্রিকভাবে বলা হয়- বৈসাবি।
- বিশ্ব আদিবাসী দিবস- ৯ আগস্ট।
- লিখিত বর্ণমালা নেই যে উপজাতির- সাঁওতাল।
- মগ উপজাতি পাহাড়ি এলাকায় পরিচিত- মারমা নামে।
- মগ উপজাতি সমতল এলাকায় পরিচিত- রাখাইন নামে।
- মগদের আদি নিবাস ছিল- আরাকান।
- জলকেলি যাদের উৎসব- রাখাইনদের।
- ত্রিপুরাদের ভোজানুষ্ঠানকে বলে -সামৌং।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী চাষ পদ্ধতি - জুমচাষ (বিকল্প পদ্ধতি সল্ট চাষ)
- গারোদের ভাষার স্থানীয় নাম- মান্দি ভাষা।
- পাঙনরা যে ভাষায় কথা বলে- মৈ তৈ মণিপুরী ভাষায়।
- যে উপজাতির মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বহুবিবাহ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন রয়েছে- হাজং।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার- ১.০০%
- চাকমা ভাষায় লিখিত উপন্যাসের নাম- ফেবো।
- উপজাতিদের জীবন-প্রণালী নিয়ে লিখিত উপন্যাস- কর্ণফুলী ।
- যে উপজাতি মুসলমান- পাঙন।
- ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সংগঠনের নাম- শান্তি বাহিনী।
- শান্তিবাহিনীর বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম- জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।
- যে দুটি উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক- গারো ও খাসিয়া।
- ক্ষুদ্রজাতি সত্তা, নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ৭টি
Related Question
View All-
ক
চাকমা
-
খ
খুমি
-
গ
খাসিয়া
-
ঘ
মারমা
-
ক
রাখাইন
-
খ
মারমা
-
গ
পাঙ্গন
-
ঘ
থিয়াং
-
ক
ময়মনসিংহ
-
খ
নেত্রকোনা
-
গ
সিলেট
-
ঘ
পার্বত্য চট্টগ্রাম
-
ক
চাকমা
-
খ
গারো
-
গ
সাঁওতাল
-
ঘ
মারমা
-
ক
পার্বত্য চট্টগ্রাম
-
খ
সিলেট
-
গ
ময়মনসিংহ
-
ঘ
টাঙ্গাইল
-
ক
মারমা
-
খ
গারো
-
গ
সাওতাল
-
ঘ
চাকমা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন